সুবর্ণার চিকিৎসায় মির্জা ফয়সলের সহযোগিতা, ফিরলেন স্বাভাবিক জীবনে

Share

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুর গ্রামের সুবর্ণা দীর্ঘদিন ধরে কোমরের জোড়া ও হাড়ের জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে একপর্যায়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। হাঁটাচলা তো দূরের কথা, দৈনন্দিন কাজ করাও তার জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ হতে সুবর্ণার প্রয়োজন ছিল জটিল অস্ত্রোপচার। এ চিকিৎসায় ব্যয় হওয়ার কথা ছিল ১০ লাখ টাকারও বেশি। কিন্তু অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থের জোগান দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে পরিবারটি।
এ অবস্থায় সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. আক্কাছ আলীকে জানান। পরে তিনি বিষয়টি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনকে অবহিত করেন।

বিষয়টি জানার পর সুবর্ণার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন মির্জা ফয়সল আমিন। তার সহযোগিতায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সুবর্ণার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ হয়েছেন সুবর্ণা। সম্প্রতি তিনি নিজের বাড়িতেও ফিরেছেন।

মো. আক্কাছ আলী বলেন, সুবর্ণার পরিবার অত্যন্ত অসহায়। চিকিৎসার খরচ বহন করার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না। বিষয়টি মির্জা ফয়সল আমিনকে জানানোর পর তিনি গুরুত্ব দিয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণাকে অসুস্থ অবস্থায় কষ্ট করতে দেখেছেন তারা। হাঁটাচলা করতে না পারায় তার জীবন অনেকটাই থমকে গিয়েছিল। চিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়ার পর এখন তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন।

সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরা জানান, অর্থের অভাবে যখন তার চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছিল না, তখন মির্জা ফয়সল আমিন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করানো সম্ভব হয়েছে। এজন্য তারা মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে সুবর্ণার চিকিৎসার বিষয়টি মির্জা ফয়সল আমিনের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সহযোগিতা করায় মো. আক্কাছ আলীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান সুবর্ণার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।