মৃতের পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ না পাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। তবে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার পর তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই নুরুল আমিন।
নুরুল আমিন বলেন, তার ভাই আগে থেকেই মাঝেমধ্যে বুকের ব্যথায় ভুগতেন। কারাগারে থাকার সময় কয়েক দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। গত দুই দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ সময়মতো পাননি।
তিনি আরও বলেন, অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা বিলম্ব হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার সেলিনা আক্তার রেখা বলেন, শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় প্রথমে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি ব্যবস্থাপনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তিন জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আবারও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের অসুস্থতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডেপুটি জেলার বলেন, কারাগার কর্তৃপক্ষ আগে থেকে তার অসুস্থতার বিষয়ে অবগত ছিল না। মৃত্যুর আগে হঠাৎ করেই তার শ্বাসকষ্ট তীব্র আকার ধারণ করলে ১০ মিনিটের মধ্যে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
সূত্র: ডিবিসি