যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদের নিয়োগ পরীক্ষা আজ সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ২৪২টি পদের বিপরীতে সারা দেশের প্রার্থী তিন লাখেরও বেশি। রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তবে এর মধ্যেই পরীক্ষার আগের রাতে (গতকাল) সম্ভাব্য প্রশ্নফাঁসের গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।
যতদূর জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান সার্চলাইটের একটি অভিজ্ঞ দল। সংশ্লিষ্ট একটি চক্র, তাদের কার্যক্রম, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরীক্ষার্থীদের রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জড়ো করা, তাদের প্রবেশপত্র আগে থেকেই সংগ্রহ এবং বড় অঙ্কের অর্থের চুক্তি সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ অনুসন্ধানী দলটির হাতে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, অধিদপ্তরের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, যিনি এই নিয়োগ পরীক্ষা কমিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁর এক আত্মীয়সহ অধিদপ্তরের একটি বড় চক্র এর সঙ্গে যুক্ত। প্রার্থীপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকায় চুক্তির তথ্যও পাওয়া গেছে। কথিত প্রশ্ন ও উত্তর রাতভর নানা যায়গায় পরীক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে পরীক্ষার আগেই পাওয়া কথিত প্রশ্নের সঙ্গে আজ সকাল ১১টার পরীক্ষার প্রশ্ন মেলে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তাই এই মুহূর্তে একে নিশ্চিত ‘প্রশ্নফাঁস’ না বলে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ হিসেবেই দেখা উচিত। পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন মিলিয়ে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রশ্ন মিলে গেলে পুরো চক্র, প্রশ্ন পাওয়ার প্রক্রিয়া, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং অর্থের লেনদেন নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে জানতে পরেছি। আপাতত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পরীক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তথ্যটি শেয়ার করে রাখলাম।
ছবি: পরীক্ষার আগের রাতে পাওয়া কথিত প্রশ্নপত্রের আংশিক অংশ। ছবিটি এআই দিয়ে ব্লার করা হয়েছে, কথিত ফাঁস হওয়া প্রশ্নের পুরোটা আমাদের সংগ্রহে আছে। এর সত্যতা এখনো যাচাই হয়নি।
এডিট ১: বাংলাদেশ সময় ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সকাল ৯ টা ৪১ এআই দিয়ে এডিট করায় প্রশ্ন ও উত্তর ভুল করায় আমাদের কাছে আসা প্রশ্নের কপিটি কেটে একটি অংশ আপলোড করা হলো।
সূত্র: আব্দুল্লাহ আল ইমরান/ সাবেক সাংবাদিক, সার্চলাইট টিম