নিহত যুবকের নাম কামরুল ইসলাম (২৭)। তিনি উপজেলার লেংগুড়া গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিন এবং তার মেয়ে মোছাম্মৎ রোকসানা বেগম।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বিলাল উদ্দিনের অনুসারীদের সঙ্গে কামরুল ইসলামের পক্ষের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে সোমবার দুপুরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের শুরুতেই কামরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিলাল উদ্দিনের মেয়ে রোকসানা বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। এতে তার বাম হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়। খবর পেয়ে বিলাল উদ্দিনের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কামরুলের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি।
অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিন দাবি করেন, কামরুলসহ কয়েকজন আমার বাড়ির পাশে মেয়েকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। মেয়ের চিৎকার শুনে আমি এগিয়ে গেলে আমাকেও আক্রমণ করা হয়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আমিও আহত হই।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত কামরুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- সূত্র: NEWS24