সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের দুই নেতার নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতপরিচয় ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে আমির হামজার ব্যক্তিগত সহকারী মমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহারটি দায়ের করেন।
এজাহারে গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শহরের ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি এবং গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে মুফতি আমির হামজার একটি বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছিল জেলা গণঅধিকার পরিষদ।
এ সময় কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা তার রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষে গাড়িযোগে নিজ বাড়ি ফেরার পথে শহরের ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় পৌঁছালে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করছিলেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে এবং এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
পরবর্তীতে, একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
এ ঘটনার বিষয়ে এমপি মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তথ্যসূত্র: ফেস দ্যা পিপল