রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর মোড় থেকে এই পদযাত্রাটি শুরু হয়। এরপর মিছিলটি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে পৌঁছায়।
পদযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতে যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এবং জাগপার মুখপাত্র ও সহসভাপতি রাশেদ প্রধান অংশ নেন।
এর আগে দুপুর ৩টার দিকে বাংলামোটরে রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর সমালোচনা করা হয়।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে হাসিনুর রহমান সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করার জোর দাবি জানান। সমাবেশে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পদযাত্রায় তারা ‘বাংলাদেশে আয়নাঘর, থাকবে না রে থাকবে না’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’, ‘ঘেরাও ঘেরাও হবে, সংসদ ভবন ঘেরাও হবে’ এবং ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিতে থাকেন।
স্পিকারকে দেওয়া স্মারকলিপিতে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের গুম কমিশনের প্রতিবেদনে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই হুবহু আইনে রূপান্তর করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ পুনর্বাসনের সুনির্দিষ্ট দাবিও তুলে ধরা হয়।
তথ্যসূত্র: কালবেলা