নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার একটি কাঁচা সড়কে অস্থায়ীভাবে ইট বিছিয়ে নির্মাণ করা হলেও সফর শেষে সেই ইট তুলে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামে প্রায় ৫০০ মিটার কাঁচা সড়কে দ্রুত ইট ও বালু ফেলে চলাচলযোগ্য করা হয়। এই সড়ক দিয়েই প্রধানমন্ত্রী তাঁর পৈতৃক ভিটায় যান। তবে সফরের এক সপ্তাহের মধ্যেই সড়ক থেকে সব ইট সরিয়ে নেওয়া হয়, ফলে বৃষ্টির কারণে আবারও দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটি পাকাকরণের জন্য আগেই ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কাজ শুরু হয়নি। এর পরিবর্তে তড়িঘড়ি করে অস্থায়ীভাবে ইট বিছানো হয় এবং পরে তা তুলে নেওয়া হয়, যা সরকারি অর্থের অপচয় বলে মনে করছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি ছিল সম্পূর্ণ অস্থায়ী ব্যবস্থা। স্থায়ীভাবে সড়ক নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। ইটগুলো ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বলেও জানানো হয়, যাতে ব্যয় কম হয়।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, ইট বসানোর পর কিছুদিন সড়কে চলাচলে সুবিধা হলেও বর্তমানে আবার আগের মতো কাদা ও ভাঙা অবস্থায় ফিরে গেছে। এতে তাদের ভোগান্তি বেড়েছে।
সুশাসনকর্মীরা বলছেন, দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এ ধরনের অস্থায়ী কাজ করা উচিত নয়। শুধু কোনো ভিআইপি সফরকে কেন্দ্র করে এমন ব্যয় সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কের স্থায়ী নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।