সেখানে ভারতের সঙ্গে নেপালের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন শাহ।এ ক্ষেত্রে আরো একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি রাষ্ট্রদূত এবং শীর্ষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক না করার যে নিয়ম শাহ নিজেই করেছিলেন, এই বৈঠকের ক্ষেত্রে তিনি সেই নিয়ম থেকে সরে এসেছেন। ফলে ভারতকে এই মুহূর্তে নেপাল বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেনারেল ধীরজ শেঠ ১৭ থেকে ১৯ অগস্ট পর্যন্ত নেপাল সফরে রয়েছেন।
নেপালি সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের আমন্ত্রণে তাঁর এই সরকারি সফর। এই আভহে সোমবার এক অনুষ্ঠানে নেপালের রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল ভারতীয় সেনাপ্রধানকে নেপালি সেনার ‘মানদ জেনারেল’ পদে ভূষিত করেন। ভারত ও নেপালের মধ্যে এই বিশেষ সামরিক সম্মান দেওয়ার রীতি দীর্ঘদিনের।১৯৫০ সাল থেকেই দুই দেশ একে অপরের সেনাপ্রধানকে ‘মানদ জেনারেল’ পদ দেওয়ার ঐতিহ্য বজায় রেখে চলেছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেই এই মর্যাদা দেওয়া হয়। এর আগে সোমবার নেপালি সেনার সদর দফতরেও যান জেনারেল ধীরজ শেঠ। সেখানে নেপালি সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। দুই সেনাপ্রধান পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, জেনারেল শেঠের সফর ভারত ও নেপালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।
সূত্র: কালের কন্ঠ