লন্ডন থেকে এশিয়ার পথে দুবাই বিমানবন্দরে ট্রানজিটে নামতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ফেস রিকগনিশন ক্যামেরায় শনাক্ত হয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।
জানা গেছে, লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডগামী একটি ফ্লাইটে দুবাইয়ে ট্রানজিটে নামার পর বিমানবন্দরের এআই ক্যামেরা তার মুখমণ্ডল স্ক্যান করে। তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধীদের ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হলে বেনজীরের নামে থাকা ইন্টারপোল সতর্কতা সংকেত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর দুবাই পুলিশের ইন্টারপোল সমন্বয় ইউনিট তাকে হেফাজতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখায়।
রোববার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তারের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যর্পণ আবেদন দাখিল করতে হয়। দুদকের মামলার নথি, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এক্সট্রাডিশন প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও পাসপোর্ট আইনের একাধিক ধারায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই গ্রেপ্তারকে বাংলাদেশ পুলিশের ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব।