অভিনেত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় স্বামী অভিনেতা যাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার এই আদেশের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে মৃত্যুর আগে বন্ধুদের সঙ্গে ইকরার কথোপকথনের নানা তথ্য।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসায় মারা যান ইকরা। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনেরা শুরু থেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে আসছেন।
ইকরার দীর্ঘদিনের বন্ধু সামিয়া আলম ও খাদিজা লুপিনের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন সকালেও তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ইকরার। সামিয়া জানান, সেদিন সকাল পৌনে এগারোটায় তাঁদের পারিবারিক ফেসবুক গ্রুপে নেপালে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন ইকরা, যা বন্ধুরা সাময়িক অভিমান হিসেবে নিয়েছিলেন। এর পরই আর কোনো সাড়া দেননি তিনি।
বন্ধুদের দাবি, ইকরা আত্মহত্যার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলেন না, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা করছিলেন। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা, বিচ্ছেদের সম্ভাবনা, নতুন ব্যবসা শুরু এবং সন্তান রিজিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছিলেন বলে জানান সামিয়া।
মামলার এজাহারে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, মানসিক নির্যাতন ও স্বামীর কথিত বহির্বিবাহ সম্পর্কের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রায় দুই বছর আগে এই সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর দাম্পত্য কলহ আরও বেড়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ইকরার মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশের পরও বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন যাহের আলভী, যা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।