নড়াইল-২ আসনের জামায়াত সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের (বাচ্চু) ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদানের তালিকায় তাঁর মেয়ের নাম দুইবার পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তালিকাটি ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে সংসদ সদস্য নিজেই বিষয়টি স্বীকার করে দায় তাঁর ব্যক্তিগত সচিবের ওপর চাপিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার ভাইরাল হওয়া সচিবালয়ের চিঠিতে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকার অনুদানের জন্য ২১ জনের তালিকায় ১ ও ৮ নম্বরে ‘ফাইজা’ নামে একজনের নাম রয়েছে। দুটি নামের পাশে বাবার নামের ঘরে যথাক্রমে ‘মো. বাচ্চু’ ও ‘মো. আতাউর’ লেখা এবং প্রতিটিতে ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া তালিকার অধিকাংশ সুবিধাভোগী সংসদ সদস্যের নিজের ইউনিয়ন ও শ্বশুরবাড়ির এলাকার বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ শনিবার সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বলেন, তিনি তখন নড়াইলে ছিলেন না। তাঁর পিএসকে যেকোনো নাম দিয়ে তালিকা জমা দিতে বলেছিলেন এবং পরে নিজের পছন্দমতো বিতরণ করবেন ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার সন্তানের নাম দিয়ে ১০ হাজার টাকা নেওয়ার দরকার নেই।’ তাঁর দাবি, টাকা আসার বিষয়ও তিনি জানতেন না।
তবে নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, নীতিমালা অনুযায়ী সচিবালয় থেকে যাঁদের নামে বরাদ্দ এসেছে তাঁদেরই দিতে হবে। নতুন তালিকায় দেওয়ার সুযোগ নেই। সংশোধন করতে হলে সচিবালয় থেকেই করিয়ে আনতে হবে।