গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হয়। সোমবার (৪ মে) সকাল থেকে শুরু হয় ভোটগণনা।
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, মমতা কালিঘাটে তার বাড়িতে চলে গেছেন।
এর আগে সাখাওয়াত নামে একটি গণনা কেন্দ্রে আসেন তিনি। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় তাকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়।
পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (৪ মে) পশ্চিমবঙ্গসহ অন্য রাজ্যের ভোটগণনা শুরু হয়। এতে অনানুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিজেপি।
মোদি তার ভাষণে বলছেন, এবারের ভোটের মাধ্যমে বাংলায় পরিবর্তন এসেছে। বাংলা ভয় থেকে মুক্ত হয়েছে এবং এখন আত্মবিশ্বাস ও উন্নয়ন দ্বারা রাজ্যটি পূর্ণ হয়েছে।
মোদি বলেছেন, “বাংলায় বিজেপির এই সাফল্যের কৃতিত্ব আমি বাংলার সাধারণ মানুষকে উৎসর্গ করছি। বাংলার এই পবিত্র ভূমিতে এক নতুন সূর্যোদয় হয়েছে।“
অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নারীরা তৃণমূল ও ডিএমকে-কে শাস্তি দিয়েছে উল্লেখ করে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমি কিছুদিন আগেই বলেছিলাম যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিরোধিতা যারা করবে, তাদের নারীশক্তির রোষানলে পড়তে হবে। আমাদের দেশের মা-বোনেরা এখন কংগ্রেস, তৃণমূল এবং ডিএমকে-কে সেই শাস্তিই দিয়েছে।”
মোদি তার ভাষণে বলছেন, এবারের ভোটের মাধ্যমে বাংলায় পরিবর্তন এসেছে। বাংলা ভয় থেকে মুক্ত হয়েছে এবং এখন আত্মবিশ্বাস ও উন্নয়ন দ্বারা রাজ্যটি পূর্ণ হয়েছে।
মোদি বলেছেন, “বাংলায় বিজেপির এই সাফল্যের কৃতিত্ব আমি বাংলার সাধারণ মানুষকে উৎসর্গ করছি। বাংলার এই পবিত্র ভূমিতে এক নতুন সূর্যোদয় হয়েছে।“
অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নারীরা তৃণমূল ও ডিএমকে-কে শাস্তি দিয়েছে উল্লেখ করে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি কিছুদিন আগেই বলেছিলাম যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিরোধিতা যারা করবে, তাদের নারীশক্তির রোষানলে পড়তে হবে। আমাদের দেশের মা-বোনেরা এখন কংগ্রেস, তৃণমূল এবং ডিএমকে-কে সেই শাস্তিই দিয়েছে।’
সূত্র : দ্য হিন্দু, এনডিটিভি